Primary Teacher Exam Date 2019

Primary Assistant Teacher Exam Date 2019 has been Published! Welcome to Primary  Teacher Exam Date. The DPE Authority Successfully Publish the Exam Date of Primary Teacher. The Exam Will be started on 10 May 2019. You know that A large Number of People apply for Primary Assistant Teacher. So, it’s a very important Notice for all Student. The Exam Start on Six Step. The first time Exam will start on 7 City. In this post, We provide all information How can Download Admit Card and more Details.

If you are applied Primary Assistant Teacher Application and you Finding the Exam Date. Don’t Worry. Just Continue Reading and see the Details of Primary Assistant Teacher Exam.

Division Wise Candidates Primary School Assistant Teacher Exam 2019.

You know that the Authority Publish Primary Job Circular 2019 with 12000 Post. But, this post Total Candidates  Apply 24 lakh person. In addition staff of DPE cleared that application submitted from. See the Division Wise Candidates.

  • Dhaka Division – 4,52,760
  • Khulna Division – 2,48,730
  • Chittagong Division -3,42,335
  • Rajshahi Division – 3,62,625
  • Barisal division – 2,55,827
  • Sylhet Division – 1,20,623
  • Rangpur Division – 2,94,368
  • Mymensing division – 2,82,437

Download Admit Card

Primary Teacher Exam Date 2019

  • Click Admit Card Menu (When Date Publish, You Will See The Home Page For PAT Admission Card Download.
  • Provide Your USER ID & Password
  • Click Download Button and Save

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী
শিক্ষক পরীক্ষা ১০ মে….
.
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী
শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ৫
ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। আর প্রথম
ধাপের পরীক্ষা হবে আগামী ১০
মে। ২০ হাজার জন পর্যন্ত প্রার্থী
আছে এরকম ৭ জেলায় অনুষ্ঠিত
হবে প্রথম ধাপের পরীক্ষা।
মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল)বুয়েটে
বিশেষজ্ঞদের সাথে প্রাথমিক শিক্ষা
অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বৈঠকে
এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বৈঠকে পরীক্ষার সময়সূচি, ওএমআর
ফরম ডিজাইন ও মূল্যায়ন এবং ফলাফল
প্রকাশের কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত
আলোচনা হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত
অনুযায়ী প্রথম ধাপে ১০ মে
নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
যেসব জেলায় লিখিত পরীক্ষা
আগে শেষ হবে সেখানে
আগেই মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত
ফল প্রকাশ করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একজন
কর্মকর্তা মঙ্গলবার রাতে দৈনিকশিক্ষা
ডটকমকে বলেন, প্রস্তুতি ঠিকঠাক
থাকলে আগামী ১০ মে সহকারী
শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা
অনুষ্ঠিত হবে। এবার প্রার্থী বেশি
থাকায় ৫ ধাপে নিয়োগ পরীক্ষা
হবে।
এর আগে গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে
‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-১৮’ লিখিত
পরীক্ষা শুরুর নীতিগত সিদ্ধান্ত
নিয়েছিলো মন্ত্রণালয়। তবে
এসএসসি পরীক্ষার কারণে সেটি
পিছিয়ে মার্চে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। গত
১৫ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের এক সভায়
নিয়োগ পরীক্ষা ১৫ মার্চ শুরুর সিদ্ধান্ত
নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
সে লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন
করতে অধিদপ্তরকে নির্দেশনা
দেয়া হয়। তবে ১৩ মার্চ ‘জাতীয়
শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯’ পালিত হওয়ায় ওই
সময়ও পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি।
জানা গেছে, এবার নিয়োগ পরীক্ষা
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের
(বুয়েট) তত্ত্বাবধানে সম্পূর্ণ
ডিজিটালাইজড পদ্ধতিতে নেয়া হবে।
নির্ধারিত জেলায় পরীক্ষার আগের
রাতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে জেলা
প্রশাসকের (ডিসি) কাছে
প্রশ্নপত্রের সব সেট পাঠানো
হবে। পরীক্ষার দিন সকাল ৮টায়
প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে তা কেন্দ্রে
পৌঁছে দেয়া হবে। পৌর এলাকার মধ্যে
এবার পরীক্ষা নেয়া হবে।
আবেদনকারীর আসন বুয়েট
অত্যাধুনিক সফটওয়ারের মাধ্যমে
নির্ধারণ করে দেবে। একই সঙ্গে
আবেদনকারীর আসন বণ্টন
অনুযায়ী প্রশ্নের সেট নির্ধারণ
করে দেবে। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে
এবার ২০ সেট প্রশ্ন তৈরি করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা
গেছে, গত বছরের ৩০ জুলাই
‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশ করা হয়। গত ১ থেকে ৩০
আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন
কার্যক্রম শেষ হয়। ১২ হাজার
আসনের বিপরীতে সারাদেশ
থেকে মোট ২৪ লাখ ৫ জন
প্রার্থী আবেদন করেন। সে
হিসাবে প্রতি আসনে লড়বেন ২০০
জন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা
গেছে, এবার সর্বোচ্চ আবেদন
জমা পড়েছে চট্টগ্রাম জেলায়। এ
জেলায় মোট ৯৮ হাজার ৯৬৯টি
আবেদন পড়েছে। এরপরে
ময়মনসিংহ জেলায় ৮৮ হাজার ২১৮টি,
কুমিল্লায় ৮৪ হাজার ৭২৮টি, দিনাজপুরে ৬২
হাজার ৯৭১টি, রংপুরে ৫৯ হাজার ৭১টি,
জয়পুরহাটে ১৮ হাজার ১৭৮টি, বগুড়ায় ৬৪
হাজার ৭২৭টি, জামালপুর ৫০ হাজার ৫০টি,
যশোরে ৫৫ হাজার ৯৩২টি, টাঙ্গাইলে
৬১ হাজার ৬৩০টি, নওগাঁয় ৪৯ হাজার ৮৬৩টি,
রাজশাহীতে ৫৭ হাজার ৩৮২টি, ঢাকায় ৬৪
হাজার ৫৫৮, বরিশালে ৬১ হাজার ৮৮৩টি,
সিলেট জেলায় ৫০ হাজার ৩৭০টি
আবেদন জমা পড়েছে। এছাড়া চাঁপাই
নবাবগঞ্জে ৩০ হাজার ২৭১টি,
নাটোরে ৩৫ হাজার ২৫৭টি,
সিরাজগঞ্জে ৫৮ হাজার ১৪৯টি, পাবনায়
৫১ হাজার ২৩১, কুষ্টিয়ায় ৩২ হাজার ৬০৯টি,
মেহেরপুরে ১০ হাজার ৮৮৮টি,
চুয়াডাঙ্গায় ১৮ হাজার ৬৬১টি, ঝিনাইদহে
৩৭ হাজার ৬১৭টি, মাগুরায় ২১ হাজার ৯৬২টি,
নড়াইলে ১৫ হাজার ৬১৪টি, সাতক্ষীরায়
৪৫ হাজার ৬১টি, খুলনায় ৪৭ হাজার ১৮৮টি,
বাগেরহাটে ৩২ হাজার ৯৭টি, শেরপুরে
২৫ হাজার ৪৬৬টি, নেত্রকোনায় ৪২
হাজার ৭৫৩টি, কিশোরগঞ্জে ৪৭ হাজার
৮৮৫টি, গাজীপুরে ৩৫ হাজার ৫১৭টি,
নরসিংদীতে ৩৮ হাজার ১৪৩টি,
মানিকগঞ্জে ২৫ হাজার ৭১১টি,
নারায়ণগঞ্জে ২৭ হাজার ১২৭টি,
মুন্সীগঞ্জে ১৮ হাজার ৭৫৯টি,
রাজবাড়ীতে ২১ হাজার ৯০৬টি,
ফরিদপুরে ৩৩ হাজার ৬৪৩টি,
মাদারীপুরে ২৪ হাজার ৮০৭টি,
শরীয়তপুরে ১৮ হাজার ৭৮৬টি,
গোপালগঞ্জে ২৯ হাজার ২১৫টি,
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৮ হাজার ৪০টি, চাঁদপুরে
৪৬ হাজার ৯১টি, লক্ষ্মীপুরে ২৩ হাজার
৩৩০টি, নোয়াখালীতে ৪০ হাজার
৭৩৯টি, ফেনীতে ২১ হাজার ৫০১টি,
কক্সবাজারে ২৬ হাজার ৭৫০টি,
পিরোজপুরে ২৯ হাজার ২৭৮টি,
ঝালকাঠিতে ১৯ হাজার ১৩৮টি, বরগুনায় ২১
হাজার ৭১৭টি, পটুয়াখালীতে ৪০ হাজার
৮০৭টি, ভোলায় ২৫ হাজার ১৪৫টি,
সুনামগঞ্জে ৩৫ হাজার ৫১২টি,
হবিগঞ্জে ৩৩ হাজার ৪৭৫টি,
মৌলভীবাজারে ৩২ হাজার ১০৬টি,
পঞ্চগড়ে ২১ হাজার ৬২৯টি,
ঠাকুরগাঁওয়ে ৩১ হাজার ৭৯৭টি,
নীলফামারীতে ৩৯ হাজার ৭৫২টি,
লালমনিরহাটে ২৬ হাজার ১২২টি,
কুড়িগ্রামে ৪৩ হাজার ২৯৪টি এবং গাইবান্ধায়
৫৫ হাজার ৫১৭টি আবেদন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here